Showing posts with label tips. Show all posts
Showing posts with label tips. Show all posts

Saturday, March 5, 2016

লিপ ইয়ার রহস্য সাথে কিছু হারিয়ে যাওয়া সময়

প্রিয় টিউনাররা,
কেমন আছেন আপনারা সবাই? অনেক দিন পর আপনাদের জন্য লিখতে বসলাম। আজ আমার আলোচনার বিষয় লিপ ইয়ার নিয়ে। তো চলুন আমাদের আলোচনা শুরু করি।
আমার একটা বন্ধু ছিলো। কিন্তু সে খুবই অভাগা ছিল। সে কখনোই প্রতি বছর তার জন্মদিন পালন করতে পারতো না। কারন সে তার জন্ম তারিখই খুজে পেতো না ক্যালেন্ডারে। প্রতি চার বছর পর পর সে জন্ম তারিখ খুঁজে পেতো। এখন ২০১৬ সাল। সে এ বছর খুবই খুশি। কারণ এ বছর ক্যালেন্ডারে সে তার জন্ম তারিখ দেখতে পাচ্ছে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখে তার জন্মদিন। দীর্ঘ চার বছর পর সে কেক কাটবে।
আসলে ওর মত অনেকের জন্য অনেক সময় দুঃখ হয় যাদের জন্ম তারিখ ঠিক ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখ। কিন্তু মূল প্রশ্ন হচ্ছে কেন এই তিন বছর একটা করে দিন থাকে না আর ৪ নাম্বার বছরে একটা দিন উদয় হয়? ছোটকাল থেকেই আমরা জানি এক বছরে থাকে ৩৬৫টা দিন। এর কারণটাও আমরা জানি। তারপরও একবার বলে নিই। কারন ছোট্ট পৃথিবীটাকে বিশাল সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন। যেসব বছরে ৩৬৫ দিন থাকে সেসব বছরেই ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের হয়। কিন্তু আবার কখনো কখনো, ঠিক চার বছর পর পর ফেব্রুয়ারি মাস হয় ২৯ দিনের এবং ৪ নাম্বার বছরের শেষে যোগ হয় আরো একটা দিন, মোট ৩৬৫+১=৩৬৬ দিন পায় বছরটা। আর এই ২০১৬ সালও ৩৬৬ দিনের বছর। এতবড় উদ্ভট কাহিনীটাকে ইংলিশে বলা হয় লিপ ইয়ার আর খাটি বাংলায় অধিবর্ষ।
এইতো মনে হয় বাংলা ক্যালেন্ডার গুলোতে সেদিনই লিপ ইয়ার যুক্ত হল। কিন্তু আসলে সেদিন নয়। ভাষা গবেষক ড.শহীদুল্লাহ ১৯৮৭ সালের দিকে একটা সিদ্ধান্ত দেন যে ইংরেজি সনের মতই বাংলা সনের বৈশাখ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত মাসে ৩০ দিন আর আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত ৩১ দিনের রাখবে। এতে করে ফাল্গুন মাসে একটা করে দিন বাড়বে। আর ফাল্গুন মাসটা এজন্য নির্বাচন করা হয়েছিলো কারন এটা এমন যে সেটা ঠিক ঘুরেফিরে ফেব্রুয়ারি মাসেতেই পড়ে। কিন্তু ইসলামিক ক্যালেন্ডারে লিপ ইয়ারের বিষয়টা তেমন ভাবে আসে না, কারন ইসলামিক ক্যালেন্ডার বানানো হয় চাঁদকে কেন্দ্র করে, সূর্যকে নয়।
চলুন এবার জানি ফেব্রুয়ারি কেন ৩০ দিনের হলো না।

Lets go to ইতিহাস:

খ্রীষ্টপূর্ব ৪৬ সালের দিকে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার আর তার পার্সোনাল সেক্রেটারি 😛 অর্থাৎ জোতির্বিদ সো-সি-জে-নি-স এই দুজন মিলে এটা হিসেব করেন যে পৃথিবীকে পুরো সূর্যের চারপাশে ঘুরে আসতে আসলে সঠিক সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টার মতো। তখন ৭টা মাসকে গিফট দেয়া হয়েছিলো ৩০ দিন আর ৫টা মাসকে দেয়া হয়েছিলো ৩১ দিন। জুলিয়াস এখানে একটা দুই নাম্বারি করেছিলো। সে করছে কি মাসের গননা শুরু করছে উদ্ভট ভাবে। মানে আমরা এখন জানুয়ারি মাসকে প্রথম মাস জানি, কিন্তু সে এটাকে এগারতম মাসে ফেলে দিয়েছিলো। তাহলে বারোতম মাস ছিলো ফেব্রুয়ারি। আর ৫ম মাসের নামটা ছিলো বিদঘুটে, কুইন্টালিস। এই নামটা জুলিয়াসের পছন্দ হয়নি। সে নিজের নাম জুলিয়াস টাই রেখেছিলো ৫ম মাসটাকে। সেটাই এখন আমাদের সময়ের জুলাই মাস। জুলিয়াসের তান্ডবের পর আরেক সম্রাট তান্ডব চালাতে আসেন নিরীহ মাসগুলোর উপর। তিনি ছিলেন রোমান সম্রাট অগাস্টাস। তিনি তখন ৬ষ্ট মাসের উপর তান্ডব চালায়। তখনকার দিনে ৬ নাম্বার মাসটার নাম ছিলো সেক্সটিলিস। এই সম্রাটও নিজের নাম থেকে অগাস্ট নামটা রাখেন মাসটার, যেটা আমাদের এখনকার অগাস্ট মাস। এই দুই তান্ডবের সম্রাট তখনকার দিনের বছরের শেষ মাস ফেব্রুয়ারি থেকে ১টা করে মোট দুটো দিন ছিনিয়ে নিয়ে জুলাই আর অগাস্টের শেষে যোগ করে দেয়। ফলে এই দুটো মাস ৩০ দিনের পরিবর্তে ৩১ দিনের হয়। তাহলে ফেব্রুয়ারি মাসের একটা খুত পাওয়া গেলো তাই নাহ! এইটার দুইটা দিন কম। এই বিষয়টা মনে রাখবেন। পরবর্তীতে কাজে আসতে পারে।
জুলিয়াস ভাই যে হিসাবটা করেছিলো সেটা ছিলো এক বছরে পৃথিবীর পুরো সূর্যকে ঘুরে আসতে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টার কাছাকাছি লাগে। তবে পোপ গ্রেগরি ১৫৮০ সালের দিকে সেটা নিখুঁতভাবে হিসেব করে দেখেন আরো কম সময়টা, শুধু মাত্র ৩৫৬ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের মত। খেয়াল করেন, প্রতি বছর ৩৬৫ দিনের পরেও আমরা ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড পাচ্ছি, কিন্তু সেটা বছর শেষে ক্যালেন্ডার গুলোতে আসছে না। কারন ক্যালেন্ডারে ঘন্টার হিসাবের কোনো স্থান নেই। কিন্তু আবারো খেয়াল করো, যদি প্রতি বছর এই সময়টুকু না ধরে একদম সরাসরি ৪ বছর পর ধরি, তাহলে মোট ৪ গুনন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড হবে। মানে প্রায় চব্বিশ ঘন্টার একটু কম সময় পাবো আমরা যেটা একটা দিনের দৈর্ঘ্যের সমানই প্রায়। কিন্তু কোথায় যাবে প্রতি চার বছরে এই একটা দিন সময়? ক্যালেন্ডারে যদি ৩৬৫ দিন করে প্রতিটি বছর গননা করা হয়? সেই একটা বাড়তি দিনকে প্রতি চার বছর পর পর যোগ করে দেয়া হয়েছিলো ক্যালেন্ডারে। যেই দিনটা গিফট দেয়া হয় ফেব্রুয়ারি মাসকে। তাই ফেব্রুয়ারি মাস চার বছর পর পর ২৯ দিনের হয়। যেটাকে খাটি বাংলায় অধিবর্ষ আর খাটি ইংলিশে লিপইয়ার বলে।

লিপ ইয়ারেরও খুত আছেঃ

একটু আগেই বলেছিলাম পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরতে ঠিক ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা লাগে না, লাগে আরো কম। ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। তাহলে বছর শেষে বাড়তি সময় ঠিক ৬ ঘন্টা পাচ্ছি না, পাচ্ছি ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। তাই আমরা প্রতি বছর বাড়তি সময় পাই
= 6 ঘন্টা – 5 ঘন্টা 48 মিনিট 47 সেকেন্ড
= 11 মিনিট 13 সেকেন্ড
আর প্রতি চার বছরে / লিপ ইয়ারে বাড়তি সময় পাই
= 4 X 11 মিনিট 13 সেকেন্ড
= 44 মিনিট 52 সেকেন্ড
চিন্তা করেন, প্রতি চার বছরে ১ দিন ক্যালেন্ডারে বাড়লেও ৪৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড করে বেড়ে যাওয়াটা ক্যালেন্ডারে উল্লেখ করে না কেউই!!
আরেকটা জিনিস জানেন আপনারা যেটা হলো যেসব সাল গুলোর শেষে দুইটা শূন্য (০০) আছে তারা যদি ৪০০ দ্বারা ভাগ না যায় তবে সেগুলোও লিপ ইয়ার হবে না, মানে তাদের ফেব্রুয়ারি মাসে বাড়তি একটা দিন যোগ হয়ে ২৯ দিন হবে না, যদিও তারা ৪ দ্বারা ভাগ যায়। যেমন ১৭০০, ১৮০০, ১৯০০ এই তিনটি সালের শেষে দুটো শূন্য আছে ঠিকই কিন্তু তারা ৪০০ দিয়ে পুরোপুরিভাবে ভাগ যায় না। তাই এদের ফেব্রুয়ারি মাসটা ২৯ দিনের হয়নি, ২৮ দিনের হয়েছিলো। কিন্তু ২০০০ সালে ফেব্রুয়ারি মাস ঠিকই ২৯ দিনের হয়েছিলো কারন ২০০০ সংখ্যাটা ৪০০ দিয়ে ভাগ যায়।

কোথায় থেকে আসলো এই ৪০০ বছরের হিসাব?

ধরেন আপনার জন্ম ১৮৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখে 😝😝, তাই ঠিক চার বছর পর ১৯০০ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ২৯ তারিখ আসার কথা থাকলেও আসবে না, কারন ১৯০০ সংখ্যাটা ৪০০ দিয়ে ভাগ করা যায় না। তাই আপনার প্রথম জন্মদিন হবে আরো ৪ বছর পরে, ১৯০৪ সালের ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখ। আপনার জন্মের ঠিক আট বছর পর!! আহারে, বেচারা :v :v
প্রতি লিপ ইয়ারে ৪৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড সময়টা যে বেড়ে যায় আমাদের ক্যালেন্ডারে, আসলে সেটাকে কমানোর জন্যই প্রতি ৪০০ বছর পর পর লিপ ইয়ারকে স্থান দেয়া হয়েছে। কারন প্রতি ১০০ বছরের মধ্যে ২৫ টা লিপ ইয়ার থাকার কথা। কিন্তু সেটা না করে বিজ্ঞানীরা প্রথম ৯৬ বছরে চার বছর পরপর মোট ২৪টা লিপ ইয়ারকে বসাইছে। একশতম বছরকে লিপ ইয়ার উপহার দেয়া হয়নি। তাহলে ১০০ বছরে লিপ ইয়ারের জন্য ব্যবহার করা হয় ৯৬টা বছর, তাই ৪০০ বছরে মোট ব্যবহার হয় ৯৬ X ৪ = ৩৮৪টা বছর। আর এই ৩৮৪টা বছরে মোট লিপ ইয়ার হয় ২৪ X ৪ = ৯৬টা।
১টা লিপ ইয়ারে ক্যালেন্ডারে সময় বাড়ে মোট ৪৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড, তাই ৯৬টা লিপ ইয়ারে ক্যালেন্ডারে সময় বাড়ে-
= ৯৬ X ৪৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ড
= ৪৩০৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড
= ৭১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড!!
অর্থাৎ ৪০০ বছরের মধ্যে ৩৮৪ বছরে ক্যালেন্ডারে সময় বাড়ে ৭১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড
আর বাকি রইলো কত? ১৬টা বছর। তাই নাহ! এর মধ্যে ৩৯৬ থেকে শুরু করে চার বছর পর ৪০০ তম বছরকে লিপ ইয়ার গিফট দিলে বাকি ৩৯৬-৩৮৪=১২ টা বছর কিন্তু লিপ ইয়ার পাবে না। ওদের বছর হবে ৩৬৫ দিনের পাক্কা হিসাবে। তখন ১টা বছরে ক্যালেন্ডারে সময় কমবে ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড, ১২টা বছরে ক্যালেন্ডারে সময় কমবে,
=১২ X ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড
= ৬৯ ঘন্টা ৪৫ মিনিট ২৪ সেকেন্ড।
আবার শেষের চারটা বছর লিপইয়ারের হিসাবে আগাবে বলে ক্যালেন্ডারে আবারো সময় বাড়বে
= ১১ মিনিট ১৩ সেকেন্ড
তাহলে ৪০০ বছরে লিপ ইয়ারের অধিকারী মোট বছর
= ৩৮৪ + ৪ বছর
= ৩৮৮ বছর
তাহলে প্রতি ৪০০ বছরের ৩৮৮টা বছর ক্যালেন্ডারে সময় বেড়ে যায়
= ৭১ ঘন্টা ৪৭ মিনিট ১২ সেকেন্ড + ১১ মিনিট ১৩ সেকেন্ড
= ৭১ ঘন্টা ৫৮ মিনিট ২৫ সেকেন্ড
আর বাকি ১২টা বছর ক্যালেন্ডারে সময় কমে যায় ৬৯ ঘন্টা ৪৫ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। keep it mind.. খুব কাছাকাছি নাহ এই দুইটা সময়ের মান!! মানে প্রতি ৪০০ বছরের মধ্যে - লিপ ইয়ারের ৩৮৮ বছরে ক্যালেন্ডারে যেটুকু সময় বাড়লো, লিপ ইয়ার ছাড়া বাকি ১২ বছরে ক্যালেন্ডারে যতটুকু সময় কমলো, এরা প্রায় পরস্পর সমান।
মানে ৩৮৮ বছরে ক্যালেন্ডার যেটুকু সময় এগিয়ে গিয়েছিলো, বাকি ১২ বছরে প্রায় সেটুকু সময়ই ক্যালেন্ডার পিছিয়ে গেছে। তাই প্রত্যেক ৪০০ বছর পর ক্যালেন্ডারের হিসাব প্রায় ঠিকঠাক হয়ে যায়। কিন্তু খেয়াল করে দেখেন, সময়ের পার্থক্য পুরোপুরি সমান না, পার্থক্য হচ্ছে-
৭১ ঘন্টা ৫৮ মিনিট – ৬৯ ঘন্টা ৪৫ মিনিট (সেকেন্ডের হিসাব নাই বা ধরলাম)
= ২ ঘন্টা ১৩ মিনিট (!)
কি সর্বনাশ! প্রতি ৪০০ বছরে ক্যালেন্ডারের সময় বেড়ে যাচ্ছে ২ ঘন্টা ১৩ মিনিটের কাছাকাছি!
এভাবে প্রতি ৪০০ বছর পর পর ক্যালেন্ডারে ২ ঘন্টা ১৩ মিনিট করে বাড়লে কয়েক হাজার বছর পর এই বেড়ে যাওয়া সময় গুলো কোথায় যাবে? কে ওদের সুযোগ দিবে পৃথিবীতে?? সময়ের কোনো জায়গাই নেই পৃথিবীতে। সে শুধু সামনের দিকে চলে। এই হিসাব নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যাথা নাই! আমার মাথা ব্যাথা হইলেও সেটা দেখার কারোই সময় নাই.. তবে আপনাদের কারো এ বিষয়ে মাথা ব্যথা থাকলে আমারে জানাতে পারেন। দেখি ব্যথাটা কমাতে পারি কিনা। টিউমেন্ট করে জানাইয়েন। সাথে জানাবেন কেমন হয়েছে। আপনাদের অনুপ্রেরনার আশায় রইলাম।
Read more »

হারিয়ে গেছে আপনার এনড্রোয়েড ফোনটি?

প্রায় সময় ই আমরা মনের ভুল এ হারিয়ে ফেলি আমদের সখের ফোন টি, এখন হারালেও খুঁজে পাবেন একটি এপ্লিকেশন ব্যবহার করে।

এপ্লিকেশন টি আপনি প্লে স্টোর এ পাবেন, কিন্তু প্লে স্টোর এ ফ্রি ভার্সন দেয়া আছে, আর ফ্রি হওয়ার কারনে অনেক ফিচার লক করা থাকবে। আপনি দেখে আসতে পারেন প্লে স্টোর থেকে এর রেটিংস আর ফিচার গুলো।
চিন্তার কারন নেই আমি আপনাদের দিবো প্রো ভার্সন। 😀 
ডাউনলোড করার পর আপনার ইমেইল দিয়ে wheres my droid এর ওয়েব সাইটে একটি একাউন্ট খুলবেন। এখানে পাবেন কমান্ডার অপশন আর এই অপশন থেকে আপনি নিয়ন্ত্রন করবেন আপনার ফোন এ থাকা এপ্লিকেশন টি।

একনজর এ দেখে নিন কি কি সুবিধা দিবে এই এপ্লিকেশন টি --
  • আপনার ফোন এর রিং উচ্চ ভলিউম এ বাজিয়ে খুঁজতে সহায়তা করবে।
  • জিপিএস এর মাধ্যমে অবস্থান জানিয়ে দেবে। তবে এজন্য অবশ্যই আপনার ফোনের জিপিএস অপশন চালু থাকতে হবে, আর ইন্টারনেট ছাড়া যে তা  সম্ভব না সেইটা বলার প্রয়োজন নিশ্চই নেই।  :-)
  • GPS Flare অপশন, লোকেশন সম্পর্কে সতর্ক করবে যখন ব্যাটারির চার্জ কমে আসবে।
  • আপনি চাইলে সামনের ক্যামেরা এবং পেছনের ক্যামেরা (চাইলে ফ্লাশ সহ) দিয়ে ছবি তুলতে পারবেন, আর তা চলে যাবে আপনার একাউন্ট এ।
  • যদি এমন হয় যে আপনার ফোন এর ডকুমেন্ট গুলো কারো হাতে গেলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে তো সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার এক্সটার্নাল ও ইন্টার্নাল মেমরি ফরমেট করতে পারবেন।
  • কেউ যদি আপনার ফোন এর সিম পরিবর্তন করে তবে সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাবেন একটি ইমেইল
  • আপনি একটি পিন কোড সেট করতে পারবেন যাতে কেউ আপনার দেয়া সেটিংস গুলো পরিবর্তন না করতে পারে।
  • কেউ যাতে এপ্লিকেশন টি আনইন্সটল করতে না পারে তার জন্যও দিতে পারবেন একটি পিন কোড।
  • আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো আপনি এই এপ্লিকেশন টি হাইড করে রাখতে পারবেন,  😈 আর আনহাইড করার জন্য থাকবে একটি পিন কোড।

দেখে নিন কিছু স্ক্রিনশট--





** সেটিং থেকে সিকিউরিটি অপশন এ গিয়ে অবশ্যই Device Administrators হিসেবে এপ্লিকেশন টি মার্ক করবেন **
চাইনা কারো সখের ফোন টি হারিয়ে যাক, তবে ব্যবহার করে দেখেন যদি কখনো ফোন খুঁজে না পান কাজে লাগবে আশা করি। :-)
দেরী না করে এখনি নিয়ে নিন প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন টি Wheres My Droid
Read more »

অল্প টাকায় যে ব্যবসা করতে পারেন

আজকে আমি আলোচনা করবো আরো কিছু ব্যবসা নিয়ে, ব্যবসা ব্যবসাই হয়, তা যতোই ছোট হোক না কেনো। তাই ব্যবসা করে নিজেই নিজেকে গড়ে তুলুন।

আপনি প্রথমেই অল্প টাকায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় শুরু করতে পারেন, যে ব্যবসা গুলো

১- এনার্জি লাইট

আমাদের দেশের বিভিন্ন বাজারে রাস্তা ঘাটেই এখন দেখতে পাওয়া যায় অল্প টাকায় এনার্জি বাল্ব বিক্রি করতে, ওরা নাকি কোম্পানির প্রচারের জন্য ৭০% ডিসকাউন্টে ৩০০ টাকার বাল্ব মাত্র ১০০ টাকায় দিচ্ছে, অনেকে আবার ২০০ টাকার বাল্ব কিনলে ১টার সাথে আরেকটি বাল্ব ফ্রি দেয়, এতে বিক্রিও হচ্ছে অনেক, তাই আপনিও শুরু করতে পারেই এই ব্যবসা। লাইট গুলো খুভি অল্প দামে কিনতে পাওয়া যায়। তাই বিক্রি করে আপনি ভালোই আয় করতে পারেন।
আপনি ইচ্ছে করলে প্রতি দিন কম পক্ষে ২০ থেকে ৪০ টা বাল্ব বিক্রি করতে পারবেন, সারা দিনে।
প্রতি দিন যদি ২০ টি বাল্ব বিক্রি করেন প্রতি দিন, আপনি ২০ টাকা করে আয় করেন -
তাহলে প্রতি দিন ২০ গুন ২০ সমান ৪০০ টাকা

তাহলে মাসে  ৪০০ গুন ৩০ সমান ১২০০০ হাজার টাকা, ওয়াও

বেকার বসে না থেকে আজি শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা।

২- চার্জার লাইটের ব্যবসা

শুরু করতে পারেন অল্প টাকায় চার্জার লাইটের ব্যবসা, উপরের নিয়মেই এই ব্যবসা করতে পারেন। বা এনার্জি লাইটের সাথেই এই ব্যবসা করতে পারেন।

এখন যে হারে কারেন্ট যাচ্ছে, তাতে সবারি সমস্যা হচ্ছে, পড়ালেখার পাশা পাশি ব্যবসা বানিজ্য করতেও সমস্যা হচ্ছে, ফুটপাতের ব্যবসা করতেও এখন এই লাইটি রাতের ভেলায় বরসা। তাই অল্প টাকায় আজি শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। একটি ব্যটারির সাথে চার্জার সার্কিট ও লাইট এটাচ থাকে। দামেও সস্থা।
৯০ থেকে ১১০ টাকায় নিনে, সহজেই ১৫০ টাকার মতো বিক্রি করতে পারেন।

৩- মিনি আইপিএস এর ব্যবসা

এসেছে গরমের দিন, সাথে লোডশেডিং এর শুরু। তাই আপনি সহজেই বিক্রি করতে পারেন মিনি আইপিএস এর ব্যবসা। একটি বক্স, সাথে টেবিল ফ্যান ও বাল্ব দিয়ে সহজেই বিক্রি করতে পারেই এই মিনি আইপিএস।

প্রতি পিস মাত্র ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যেই কিনে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। বিক্রি করা যায় ২৩০০ থেকে ২৫০০ টাকার মতোই। তাই লাভটাও কম না।

চলবে  তাই বাকি টিউন গুলো পেতে টেকটিউনের সাথেই থাকুন।
Read more »

Wednesday, March 13, 2013

প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট টিপস ও ওয়েব সাইট লিঙ্কের বাংলা বই– কেন শুধু শুধু গুগলে সার্চ দিয়ে সময় নষ্ট করবেন… ( যে কোন একটা ডাউনলোড করে দেখুন…


আমারা যারা নেট ব্যাবহার করি তাদের সবাই কোন একটি ফাইল বা ডকুমেন্ট সংগ্রহের জন্য গুগল এ সার্চ দিয়ে বিভিন্ন ওয়েব সাইট ঘুরে ফাইলটি সংগ্রহ করতে হয়।আবার অনেক সময় দেখা যায় যে , আনেক খুজা খুঁজির পরও কাঙ্ক্ষিত ফাইল টি পাওয়া যায় না …।। এই জন্য বাংলাদেশের যতগুলো ওয়েব সাইট আছে তা সংগ্রহ করে বাংলা ই-বুক আকারে প্রকাশ করছি…।। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে …।
এখানে দেওয়া লিঙ্ক গুলো “অ্যাডোব রিডারে” থেকে সরাসরি আপনার ব্রাউজার এ কাজ করবে…
কিন্তু “ফক্সিট রিডারে Foxit Reader ” অনেক সময় সরাসরি কাজ করে না ……।।সে ক্ষেত্রে আপনারা
ফক্সিট রিডারের Tools এ গিয়ে /ক্লিক করে —> Preference এ ক্লিক করুন ( সরাসরি যেতে Ctrl + K প্রেস করুন)
তারপর Trust Manager এ ক্লিক করুন
এরপর Enable Safe Reading Mode এর বক্স টির টিক চিন্হ থকলে তা তুলে দিন বা আনক্লিক করুন।
নিচের বাংলা বই গুলো কিছু মেগাবাইট খরচ করে নামিয়ে ফেলুন …।আর দেখুন কি কাজের বই দিলাম.।
এই বই গুলো -ইউনিকোড টেক্সট ফরম্যাটে(স্ক্যান করা না) যা খুব সহজে Mobile ও Computer পড়তে পারবেন………


*  web site link.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?to9i1pgchjhf7rp
*  Xclusive Bangla web site.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?mqcr9o7h7vdp95v
*  Hot Web Site Link.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?yd2b0dzno2skk78
*  Information Technology(Internet).pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?405a780dg7o57gc
*  Internet (Information Technology) Dictionary.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?bkc4hcbgwd2q5qf
*  Internet Fundamentals(eng).pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?x2ikd80djcfuchz
*  Internet Income(earn).pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?90nde8dbxim4r39

*  Internet speed up.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?oa1s61psgjqo45d
*  Internet Tips & Trick.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?3fn1fmoxurtrzaj
*  Problems Solution(Troubleshooting) of Internet.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?yt3aae0soyskox1
*  Torrent Tips.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?hbo2vfp7f18a83m
*  Web Site link With logo.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?06r2o6ahvd5ilch

*  Web site Review & Description.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?gj3j5208blb3ncx
*  web_browsing.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?e9d2b3o23w99gch

*  Bangla e-books Download link.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?vs4rfuxgp8gnyb4
*  Bangla Newspaper web link.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?dvif732xj7c3etz
*  Browser (mozila&Chrome) tips.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?s34wd0wev6wtl4t
*  Copy full web site.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?1yngvd5cat2mwx8
*  e-mail by Outlook.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?p5n5z6edv1r5gpv
*  e-mail.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?8u8rzf7u8yzk869
*  facebook Tips.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?82wwto8tipfau03
*  firefoxcheatsheet.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?qngwuqwy5tuq46n
*  Google Tips.pdf
Download link: 
http://www.mediafire.com/?s892fb22g6byn00

এই বই গুলো আপনাদের ডিজিটাল জীবন কে আরও সহজ করে দিবে আশা করি।আমার পরিশ্রম আপনাদের বিন্দুমাত্র কাজে লাগলেও আমি স্বার্থক।=)
Read more »

Saturday, March 9, 2013

মুসলমানরা আসুন নবীদের জীবনী জানি অমুসলিম রাও আসতে পারেন -- PDF

Read more »

মাথা নষ্ট টাকা দরকার 500 টাকা


আপনি ইচ্ছা করলে মোবাইলে রিচার্জ করতে পারেন এই লিংক এ ----

অসুন একবার দেখি হয় কিনা
Facebook

Read more »

Wednesday, March 6, 2013

বিখ্যাতদের মজার ঘটনা


«¤»»»»টমাস আলভা এডিসন যখন টাংস্টেন তারের পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক বাল্বটি আবিষ্কার করেন তখন তার ল্যাবে ভীষণ ভীড়-ভাট্টা,সাংবাদিক,বন্ধুবান্ধবে গিজগিজ করছে ।বাল্বটি যখন প্রথমবারের মত জ্বলে উঠলো তখন সবাই আনন্দে হই হই করে উঠলো ।এবার এডিসন সাবধানে বাল্বটি খুলে তার চাকরের হাতে দিয়ে বললেন, “সাবধানে পাশের ঘরে রেখে আসো।” সাবধানে বলার কারণেই কিনা এডিসনের বেকুব চাকর পৃথিবীর প্রথম বাল্বটি তৎক্ষণাৎ হাত থেকে ফেলে ভেঙে চুরমার করে দিলো।আশেপাশের সবাই হায় হায় করে উঠলো ।সিটিয়ে গেল চাকরটি,শুধু এডিসন কিছু বললেন না।এর কিছুদিন পর দ্বিতীয়বারের মতো এডিসন বাল্বটি তৈরী করলেন ।বলা যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৈদ্যুতিক বাল্ব।এবারও তার ল্যাবে ভীড় আগের মতোই।এবারও বাল্বটি জ্বলে উঠলো সবাই আনন্দে হই হই করে উঠলো এবং এবারও এডিসন বাল্বটি সাবধানে পাশের ঘরে রেখে আসার জন্য তার চাকরকে ডাকলেন ।সবাই আঁৎকে উঠলো, “কি করছেন,কি করছেন,ঐ গাধাটা আবার বাল্বটা ভাঙবে,আপনি নিজ হাতে রেখে আসুন,নইলে আমাদের কারো হাতে দিন।এডিসন স্মিত হেসে বললেন-“ও যদি এবারও বাল্বটা ভাঙে সেটা আমি আবার তৈরী করতে পারবো কারণ এর ম্যাকানিজমটা আমার মাথায় আছে;কিন্তু প্রথম বাল্বটি ভাঙ্গার পর আমার চাকরের আত্মবিশ্বাস ভেঙে যে চুরমার হয়েছে সেটা জোড়া লাগাতে বাল্বটা এবারও তার হাতেই দিতে হবে”।চাকরটি অবশ্য বাল্বটি না ভেঙ্গে ঠিক জায়গায় রেখে আসতে পেরেছিলো।

১৭৯৯ সালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধরত ছিলেন নেপোলিয়ান বেনোপোর্ট।একদিন তিনি সহকারীদের বললেন,১২০০ তুর্কি বন্দীকে মুক্তি দিতে।কিন্তু আদেশ দেয়ার ওই মুহুর্তেই বেদম কাশি শুরু হয় তাঁর।বিরক্ত হয়ে বলেন,“মা সাকরি তাকস”(কি বিদঘুটে কাশি)।সহকারীরা ভুলে শুনলেন,“মাসাকরি তাওস”(হত্যা করো সবাইকে)।সেদিন সামান্য কয়েকটি শব্দের হেরফেরে প্রাণ গিয়েছিলো ১২০০ বন্দীর।
ঘটনা.দুই
দ্বিতীয় মোহাম্মদ সুলতান শা্হ(১৪৫১-১৪৮১) তুরষ্ক শাসন করার সময় নিষ্ঠুর রসিকতায় আনন্দ পেতেন। একদিন ভোজের সময় বাইরে তার ডাক পড়ল। ফিরে দেখেন তার থাবার জন্য রাখা আস্ত এক তরমুজ উধাও। তার সাথে ১৪ জন সভাসদ খাবার খাচ্ছিলেন। তারাও কিছু বলতে পারলেন না।নিষ্ঠুর সুলতান তখন দক্ষ শল্যবিদ ডেকে এনে সবার পেট কাটালেন । কিন্তু কারো পেটে তরমুজ পাওয়া গেল না্।তখন হাসতে হাসতে ক্ষমা চাইলেন নিষ্ঠুর রসিক সুলতান।
ঘটনা.তিন
২৬৩ খ্রিষ্টপূবার্ব্দে হাসতে হাসতে মারা গিয়েছিলেন বিখ্যাত গ্রীস কবি ফিলমোন।একদিন দুপুর বেলা খাবার খেতে এসে তিনি দেখেন তার থাবার একটি গাধা খেয়ে নিচ্ছে। ঘটনাটি দেখে তার বেদম হাসি পায় এবং গলায় খাবার আটকে গিয়ে তিনি মারা যান।
ফুল অ্যান্সার
«¤»»»»ছোট্ট ছেলেটির মন খারাপ।খুব বেশিই খারাপ।পরীক্ষায় একটি প্রশ্নের উত্তরে সে শূন্য পেয়েছে।প্রশ্নটি ছিলো এরকম- “ব্যারোমিটারের সাহায্যে একটি ভবনের উচ্চতা কীভাবে মাপা সম্ভব?” উত্তরটি তার জানা ছিলো না।তাই বলে তো আর প্রশ্ন ছেড়ে আসা যাবে না।মা বারবার বলে দিয়েছে ‘ফুল অ্যান্সার’ করে আসার জন্য।তাই বুদ্ধি খাটিয়ে সে লিখেছিলো-“দড়ি বেঁধে ভবনের ছাদ থেকে ব্যারোমিটারটি নিচে ফেলে দিতে হবে।তাহলে ঐ দড়ির দৈর্ঘ্যই হবে ভবনের উচ্চতা”।শিক্ষক ঊত্তর দেখে খুশি তো হনইনি বরং ভেবেছেন ছেলেটি দুষ্টমি করে উত্তরটি লিখেছে,তাই তাকে ডেকে খাতাটা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন,“ধরে নিলাম উত্তরটা তুমি জানো,দ্বিতীয়বার তোমায় সুযোগ দিচ্ছি,চটপট উত্তরটা লিখে ফেল”।ছেলেটি ভাবলো,“এবার আর ভুল করা যাবে না”।তাই এবার সে লিখলো-“আমি ভবনের উপর থেকে নেমে এসে ভবনের অ্যাটেনডেন্টকে বলব,ভবনের প্রকৃত উচ্চতাটি বললে আমি তোমাকে এই ব্যারোমিটারটি উপহার দিবো,তখন সে বলে দিবে আর আমি জেনে নিবো”।এবার হয়েছে,এবার নম্বর না দিয়ে শিক্ষক যাবেন কোথায়?এই ভেবে মনে মনে এক চোট হেসে নিলো ছেলেটি।কিন্তু তার উত্তর দেখে এবার আর শিক্ষকও ভুল করলো না।দিয়ে দিলেন পুরো শূন্য(0)!
পদার্থবিজ্ঞানের প্রাশ্নে ভুল করলেও পরবর্তীতে সেই ছেলেটিই হয়ে ওঠে,“বোর পরমাণু মডেলের” জনক প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী নীলস বোর ।।
তোষামোদ
«¤»»»দার্শনিক ডায়োজেনিসের আমলে যিনি রাজা ছিলেন, তাঁর নাম ডেনিস। রাজাকে তোষামোদ করতেন না বলে ডায়োজেনিসের জীবন ছিল অত্যন্ত ভোগবিলাসহীন। জীবনযাপন করতেন একেবারে সাধারণ মানুষের মতো। কিন্তু তাঁর সমসাময়িক অ্যারিস্টিপাস নামের আরেক দার্শনিক রাজাকে তোষামোদ করতেন বলে মালিক হয়েছিলেন প্রচুর বিত্তবৈভবের। একদিন খাওয়ার সময় ডায়োজেনিসকে শুধু শাক দিয়ে রুটি খেতে দেখে অ্যারিস্টিপাস ব্যঙ্গ করে বললেন, ‘আপনি যদি রাজাকে তোষামোদ করে চলতেন, তাহলে আজ আর আপনাকে শুধু শাক দিয়ে রুটি খেতে হতো না।’
জবাবে ডায়োজেনিস হেসে বললেন, ‘আর আপনি যদি শাক দিয়ে রুটি খাওয়া শিখতেন, তাহলে আজ আর আপনার রাজাকে তোষামোদ করে চলতে হতো না।’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছ বিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে !
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রখ্যাত এক মেডিসিনের প্রফেসর একবার ক্লাস নেওয়ার সময় মেডিকেল ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ
“ধরো বাবা ভুগছেন সিফিলিস রোগে,মা যক্ষা রোগে,এ পর্যন্ত তাদের চারটি ছেলেমেয়ে হয়েছে।প্রথমটি অন্ধ,দ্বিতীয়টি মৃত,তৃতীয়টি কানে শোনে না এবং চতুর্থটি যক্ষা রুগী।মা আবার সন্তানসম্ভবা,সেই মুহুর্তে ঐ দম্পতি তোমাদের কাছে আসলো পরামর্শের জন্য,তোমরা তাদের কি পরামর্শ দেবে?”এবার ছাত্ররা ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে আলোচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত প্রফেসর কে জানালো।প্রতিটি গ্রুপই বললো,মহিলার অবশ্যই গর্ভপাত করানো উচিত।সেটা মায়ের জন্য ভালো হবে।তখন প্রফেসর সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন,“অভিনন্দন তোমাদের,তোমরা এইমাত্র সুরসম্রাট বিটোফেনের জীবনটা নিয়ে নিলে!”
===»»» বোঝার ভুল «««===
ঘটনা.এক
মরিস সাহেব ছিলেন শান্তিনিকেতনে ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার অধ্যাপক। একা থাকলে তিনি প্রায়ই গুনগুন করে গান গাইতেন। একদিন তিনি তৎকালীন ছাত্র প্রমথনাথ বিশীকে বললেন, জানো গুরুদেব(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) চিনির ওপর একটি গান লিখেছেন, গানটি বড়ই মিষ্টি।’ প্রমথনাথ বিশী বিস্মিত হয়ে বললেন, “কোন গানটা?তার আগে বলুন, এই ব্যাখ্যা আপনি কোথায় পেলেন?”
উত্তরে মরিস সাহেব জানালেন, ‘কেন, স্বয়ং গুরুদেবই তো আমাকে এটা বলে দিয়েছেন।’
অতঃপর তিনি গানটি গাইতে লাগলেন, ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে, ওগো বিদেশিনী, তুমি থাকো সিন্ধুপারে…।’প্রমথনাথ বিশী মুচকি হেসে বললেন,তা গুরুদেব কিন্তু ঠিকই বলেছেন, চিনির গান তো মিষ্টি হবেই”।
ঘটনা.দুই
ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের কোন এক সময় কবি সুকুমার রঞ্জন আর মুজাফফর আহমদ বসে গল্প করছিলেন আর কাছেই বসে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে কবিতা লিখছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।কিছু সময়ের মধ্যেই লেখা হয়ে যায় তাঁর বিখ্যাত “ভাঙার গান” কবিতাটি।সুকুমার রঞ্জন আর মুজাফফর আহমদ দু’জনেই কবিতাটির অসম্ভব প্রশংসা করলেন।কিন্তু সমস্যা বাঁধলো গাইতে গিয়ে।জেলখানায় গানটি গাওয়ার সময় বন্দীরা ভীষণ ক্ষেপে গিয়েছিলো।কারণ গানটির একটি লাইন ‘যতসব বন্দীশালায় আগুন জ্বালা’ বলায় বন্দীরা ভেবেছিলো তাদের শালা বলে গাল দেয়া হয়েছে।অবশ্য পরে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে ভুল ভাঙানো হয়।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন গেছেন ময়মনসিংহে তাঁর গ্রামের বাড়ি বেড়াতে।গ্রামের এক মুরব্বি দেখা করতে এসে জয়নুলকে বললেন, “কিরে তুই নাকি বড় শিল্পী হইছস?দে তো আমার ছাতিটায় নাম লেইখ্যা?”জয়নুল আবেদীন খুব যত্ন করে এবং সময় নিয়ে ছাতায় নাম লিখে দিলেন।প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনা রাষ্ট্র হয়ে গেল গ্রামময়।ব্যস,আর যায় কোথায়,গ্রামের প্রায় সবাই যার যার ছাতা নিয়ে হাজির।আর শিল্পাচার্য কি করবেন,অসীম ধৈর্যের সাথে প্রায় সবার ছাতাতেই নাম লিখে দিয়েছিলেন সেবার।
সন্ধ্যা রাতে বাতী জ্বালিয়ে বই পড়ছে ছেলেটি।হঠাৎ তেলের অভাবে কুপিটি গেল নিভে।ছেলেটি তো চিন্তায় পড়ে গেল।কি করবে এখন।এমন সময় সে দেখতে পেল একজন প্রতিবেশীর রান্নাঘরের জানালা দিয়ে বাইরে কিছু আলো বেরিয়ে আসছে।ছেলেটি করলো কি,সঙ্গে সঙ্গে বইটি নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে সেই আলোকিত জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে একমনে বইটি পড়তে লাগলো।এমন সময় সেই ঘরের কর্ত্রী জানালা দিয়ে কিছু গরম পানি বাইরে ফেললেন।আর অমনি এক আর্ত চিৎকার।চিৎকার শুনে সবাই ছুটে এলো।দেখলো ছেলেটির শরীরে গরম পানি পড়েছে আর ছেলেটি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।এটা দেখে সবাই যেমন আশ্চর্য হলো তেমনি মর্মাহতও হলো।গৃহকর্ত্রী ছেলেটির গায়ে ঐষধ লাগিয়ে দিয়ে বললেন, “বাছা তোমার পড়াশুনার জন্য যত তেলের দরকার,সব খরচ আজ থেকে আমি দেব।তুমি লেখাপড়া চালিয়ে যাও।লেখাপড়া করে অনেক বড় হও”।
হ্যাঁ, ছেলেটি অনেক বড় হয়েছিল।তাঁর রচিত নাতে রসূল-
“বালাগাল ওয়ালা বে কামালেহী
কাশাফাদ্দোজা বে জামালেহী
হাছানাত জামিয়ো খেছালেহী
ছাল্লু আলায়হে অ-আলেহী”।
মিলাদ মাহফীলে আমরা সবাই পাঠ করি।ছেলেটি আর কেউ নয়,তিনি পারস্য কবি শেখ সাদী(1175-1291)।সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই নাতে রাসূলটি শেখ সাদী পেয়েছিলেন স্বপ্ন যোগে
▬▬►মহৌষধ
«¤»»»»জর্জ বার্নাড শ প্রায় সত্তর বছর পর্যন্ত মাথা ব্যাথায় ভুগেছিলেন।এ ব্যাপারে শ’ উত্তর মেরুর আবিষ্কারক নানসেন কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন:আচ্ছা আপনি মাথা ধরার কোন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন কি?
নানসেন তো অবাক।তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, “না তো!” শ’ তখন বললেন, “কি আশ্চার্য্য!উত্তর মেরু আবিষ্কারের জন্য সারাজীবন কাটালেন!অথচ পৃথিবীর কাছে তার মূল্য দু পয়সাও নয়।আপনি মাথা ধরার কোন ঔষধ আবিষ্কারের চেষ্টাও করেননি;অথচ পৃথিবীর সমগ্র মানুষ এই মহৌষধের জন্য কেঁদে কেটে আকুল”।
জওহরলাল নেহরু যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী তখন ক্রুশ্চেভ এসেছিলেনন ভারত সফরে।নেহেরু ক্রশ্চেভকে নিয়ে পার্টি অফিসে সংবধর্নায় যোগদান করতে বের হলেন।হঠাৎ দূর থেকে রাস্তার পাশে এক ব্যাক্তিকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে ক্রুশ্চেভ মন্তব্য করলেন,“ইন্ডিয়ানরা দেখি একেবারে অসভ্য,রাস্তায় দাঁড়িয়েই প্রকৃতির সাড়া দিচ্ছে”।নেহেরু এতে দারুণ অপ্রস্তুত হলেন এবং প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ খুঁজতে লাগলেন।কিন্তু সেবার আর সে সুযোগ এল না।
এরপর নেহেরু গেলেন মস্কোয়।ক্রুশ্চেভ তাঁকে নিয়ে “মস্কো বেল” দেখাতে বের হলেন।অপ্রত্যাশিত ভাবে এবার নেহেরু সুযোগ পেয়ে গেলেন।রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এক ব্যাক্তি প্রস্রাব করছিলো।কিছু না বলে নেহেরু শুধু ক্রুশ্চেভের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে লাগলেন।ক্রুশ্চেভ অত্যন্ত বিরক্ত হলেন।লোকটি কে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন কে তুমি?লোকটা বিনীতভাবে বলল, “স্যার,আমি ইন্ডিয়ান এম্বেসীর একজন কর্মচারী!”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছ বিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে !
মহৌষধ
«¤»»»»জর্জ বার্নাড শ প্রায় সত্তর বছর পর্যন্ত মাথা ব্যাথায় ভুগেছিলেন।এ ব্যাপারে শ’ উত্তর মেরুর আবিষ্কারক নানসেন কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন:আচ্ছা আপনি মাথা ধরার কোন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন কি?
নানসেন তো অবাক।তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, “না তো!” শ’ তখন বললেন, “কি আশ্চার্য্য!উত্তর মেরু আবিষ্কারের জন্য সারাজীবন কাটালেন!অথচ পৃথিবীর কাছে তার মূল্য দু পয়সাও নয়।আপনি মাথা ধরার কোন ঔষধ আবিষ্কারের চেষ্টাও করেননি;অথচ পৃথিবীর সমগ্র মানুষ এই মহৌষধের জন্য কেঁদে কেটে আকুল”।
এক পয়সার বাঘ
«¤»»»»ছেলেবেলায় শরৎচন্দ্র একবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে বাঘ দেখতে রথের মেলায় গিয়েছিলেন।মেলার একটা ফাঁকা জায়গা ত্রিপল দিয়ে ঘেরা এক পাশে একটা ছোট গেট।গেটের সামনে টুলের উপর বসে একটা লোক চিৎকার করে ডাকছে,এক পয়সায় বাঘ দেখে যান বাবু,দি রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাঘ দেখার জন্য সবাই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে।বেশ বড় লাইন।এক পয়সা দিয়ে একজন করে ভিতরে ঢুকছে,সে দেখে ফিরে এসে আরেকজনকে ঢুকতে দিচ্ছে।শরৎচন্দ্র বন্ধুদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে গেলেন।গেটে পয়সা দিয়ে ঢুকবার সময় যে লোকটা বাঘ দেখে বেরিয়ে আসছিল তাকে বললেন,কী মশায় বাঘ কেমন দেখলেন?
লোকটা কিছু বলল না,চুপ করে সরে পড়ল।মনে মনে বললেন,না বলুক,এখনই তো দেখব।ভিতরে ঢুকে গেলেন তিনি।ঢুকে তো অবাক।বাঘের নাম গন্ধও নেই।চারদিকে ফাঁকা,এক জায়গায় শুধু একটা লোক হাঁড়ির ভেতরে মুখ ঢুকিয়ে মাঝে মাঝে বাঘের গর্জন করছে।লোকটার পাশে ছোট্ট একটা তারের খাঁচার মধ্যে হাতে তৈরী একটা বিড়াল,গায়ে ডোরাকাটা দাগ।শরৎচন্দ্র ক্ষেপে গিয়ে যখন দু’কথা শুনিয়ে দিবেন ভাবছেন তখনই লোকটা হাঁড়ি থেকে উঠে মাথা বের করে এল।এসেই শরৎচন্দ্রের পা জড়িয়ে ধরে কাদতে কাঁদতে বলল,বাবু দয়া করে কিছু বলবেন না।বাড়িতে পনের ষোল জন ছেলে-মেয়ে।দু’ভাইয়ে এই করে আধপেটা খেয়ে বেঁচে আছি।ধরিয়ে দিলে না খেয়ে মারা যাবো শরৎচন্দ্র বেরিয়ে এলেন।বাইরের অপেক্ষমাণ লোকজন জিজ্ঞেস করলো,কী মশায় কেমন দেখলেন?শরৎচন্দ্র চুপ করে সরে পড়লেন।
হামদর্দ এর প্রতিষ্ঠিাতা হেকিম আজমল খানের চিকিৎসক হিসেবে খুবই খ্যাতি ছিল। প্রসিদ্ধি আছে রোগীকে না দেখে তার প্রস্রাব দেখেই রোগ নির্ণয় ও ব্যবস্হাপত্রnদিতে পারতেন তিনি এবং রোগী ভালো হয়ে যেত। তাঁর এ ক্ষমতায় অবিশ্বাসী এক ইংরেজ সাহেব একবার তাঁকে বাজিয়ে দেখার জন্য নিজের প্রস্রাব না পাঠিয়ে উটের প্রস্রাব পাঠিয়ে দিলেন। হেকিম সাহেব প্রস্রাব দেখে ব্যবস্হাপত্রে লিখলেন,“এ প্রস্রাব যার তাকে আরো বেশি করে খড় আর ভুসি খেতে হবে”!
ঈশ্বর ভক্তি
যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় এক ধর্মযাজক কথা প্রসঙ্গে আব্রাহাম লিংকনকে বলেছিলেন, ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আসুন, আমরা বিশ্বাস রাখি এবং প্রার্থনা করি যে এই দুঃসময়ে মহান ঈশ্বর আমাদের পক্ষে থাকবেন।’ প্রতি-উত্তরে লিংকন একটু ভেবে নিয়ে হাসতে হাসতে বললেন, ‘আপনি যাই বলুন না কেন,ঈশ্বর নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। কারণ আমি একথা জানি যে ঈশ্বর সব সময় ন্যায় ও সত্যের পক্ষেই থাকেন। এর চেয়ে বরং আসুন, আমরা সবাই প্রার্থনা করি, এই জাতিটা যেন সব সময় ঈশ্বরের পক্ষে থাকতে পারে।’
বক্তা হিসাবে মার্কটোয়েন(“দ্যা অ্যাডভেঞ্চার অফ টম সয়্যার” এবং “দ্যা অ্যাডভেঞ্চার অফ হাকল বেরি ফিন” খ্যাত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক)তখনও বিখ্যাত হননি। স্টেজে দাঁড়িয়ে লোকদের মনোমুগ্ধ করার মতো যাদু কলাকৌশল তখনও তিনি রপ্ত করতে পারেননি। সেই সময় দূরে এক শহর হতে তিনি বক্তৃতা দেয়ার আমন্ত্রণ পেলেন। ঐ শহরের শ্রোতাদের একটি বদনাম ছিল কেউ ভাল বক্তৃতা দিতে না পারলে তারা পঁচা ডিম ছুড়তো। মার্কটোয়েন তাই লোকদের হালচাল বুঝতে ভয়ে ভয়ে বাজারে গেলেন । সেখানে এক দোকান থেকে ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ‘মশাই, শহরে নাকি আজ এক নামজাদা বক্তা বক্তৃতা রাখবেন ?দোকানী তার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো -শুনেছি বটে ,তবে বক্তাকে আমি চিনিনা বা তার নাম কি তাও আমি জানি না। মার্ক আশ্চর্য হয়ে বললো- সেকি ! আপনার খদ্দেররাও কি তার নাম জানে না। দোকানী এবার যেন একটু মনোযোগী হয়ে বললো – হ্যাঁ , বোধহয় তারা জানে , আর তাই তো যারা আজ টাউন হলে বক্তৃতা শুনতে যাবে তারা আমার দোকানের সব পঁচা ডিমগুলি কিনে নিয়ে গেছে। মার্ক রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে বললো -কেন ? কেন ? দোকানী মুচকি হেসে বললো -কেন আবার!
plz like ভালো বক্তৃতা দিতে না পারলে বক্তার চেহারা রাঙিয়ে দেয়ার জন্য।সেদিন মার্ক তার ভাগে ঠিক কতটি পঁচা ডিম পেয়েছিল জানা যায়নি (এটা কেউ বলে নাকি ?) তবে সেদিনের শিক্ষা নিয়ে তিনি উত্তরকালে একজন জগৎবিখ্যাত বক্তা হতে পেরেছিলেন ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর খদ্দরের চাদর পরতেন।শীত বা গ্রীষ্ম যাই হোক না কেন গায়ে শুধু চাদর আর কাঠের খড়ম পরেই সংস্কৃত কলেজে ক্লাস নিতে যেতেন।মাঘ মাসের শীতের সময় প্রতিদিন সকালে এভাবে ঈশ্বর চন্দ্রকে ক্লাস নিতে যেতে দেখে প্রায়ই হিন্দু কলেজের এক ইংরেজ সাহেব যাওয়ার পথে বিদ্যাসাগরকে ক্ষ্যাপানোর জন্য বলতেন,“কি হে,বিদ্যার সাগর,বিদ্যার ভারে বুঝি ঠান্ডা লাগে না তোমার?” বিদ্যাসাগর প্রতিদিন কথা শুনতেন,কিন্তু কিছু বলতেন না। একদিন শীতের সকালে ঠিক একইভাবে তিনি ক্লাস নিতে যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যে আবার সেই ইংরেজের সাথে দেখা।আবার সেই একই প্রশ্ন।এবার সঙ্গে সঙ্গে ঈশ্বর চন্দ্র তার ট্যামর থেকে একটা কয়েন বের করে বললেন,“ এই যে গুজে রেখেছি, পয়সার গরমে আর ঠান্ডা লাগেনা।এবার হলো তো?”
বিখ্যাত ইংরেজ কবি সমালোচক জন ড্রাইডেন প্রায় সারাক্ষণই পড়াশোনা আর সাহিত্যচর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন; স্ত্রীর প্রতি খুব একটা মনোযোগ দিতেন না। একদিন স্ত্রী লেডি এলিজাবেথ তাঁর পড়ার ঘরে ঢুকে রেগে গিয়ে বললেন, ‘তুমি সারা দিন যেভাবে বইয়ের ওপর মুখ গুঁজে পড়ে থাকো তাতে মনে হয় তোমার স্ত্রী না হয়ে বই হলে বোধ হয় তোমার সান্নিধ্য একটু বেশি পেতাম।
ড্রাইডেন বইয়ের ওপর মুখে গুঁজে রেখেই বললেন, ‘সে ক্ষেত্রে বর্ষপঞ্জি হয়ো, বছর শেষে বদলে নিতে পারব!’
হাওড়া জেলা স্কুলের একটা ক্লাস রুম।একটু বেঁটে খাটো,স্বাস্হ্য ভালো এক ছেলে এসে ক্লাসে ঢুকলো।এত গরমের ভেতরেও গায়ে কোট চাপানো।এমনিতেই একটু মোটাসোটা ।আজকে আরো বেঢপ হয়েছে দেখতে।ছেলেরা হাসাহাসি শুরু করেছে।অথচ ছেলেটি চিন্তামগ্ন।আজ তার বুকটা ভয়ে ঢিব ঢিব করছে।কখন ডাক আসবে স্যারের।তারপর পিটুনী।কারণ গতকাল যাদের সে মেরেছিল তারা নিশ্চয় নালিশ জানিয়েছে শিক্ষকের কাছে।অবশেষে ডাক এলো।শিক্ষক তাকে যতই প্রশ্ন করেন ততই ছেলেটা গুটিয়ে ফেলে নিজেকে,কোন জবাব দেয় না।শিক্ষক রেগে গেলেন। গায়ের কোট ধরে টান মারলেন।অবাক কান্ড!বেরিয়ে এলো শাড়ী।সারা গায়ে জড়ানো।তার উপর শার্ট।শার্টের উপর এই কোর্ট।হাসির রোল বয়ে গেল সারা ক্লাসে।স্যার আর কি বিচার করবেন তিনিও হেসে ফেললেন ছেলেটির কান্ড দেখে,ছেড়ে দিলেন তাকে।এই ছোট্ট ছ্লেটি আর কেউ নয়,তিনি হলেন ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।
জর্জ বার্নার্ড শ’র বাড়িতে বেড়াতে এসে এক মহিলা অবাক হয়েবললেন, ‘মিস্টার শ, আপনার ঘরে দেখছি একটাও ফুলদানি নেই। আমি ভেবেছিলাম, আপনি এত বড় একজন লেখক; আপনি নিশ্চয়ই ফুল ভালোবাসেন। তাই আপনার বাসার ফুলদানিতে বাগানের তাজা, সুন্দর ফুল শোভা পাবে।’
প্রত্যুত্তরে শ সঙ্গে সঙ্গেই বললেন, ‘ম্যাডাম, আমি বাচ্চা ছেলেমেয়েদেরকেও ভালোবাসি। তার অর্থ এই নয় যে, আমি তাদের মাথা কেটে ন…িয়ে এসে ঘরে সাজিয়ে রাখব।
কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনাকে টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন। একদিন এক মাতাল উনার কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন-আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।
কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনিওতো মদ খান-মাতালের উত্তর।
বিদ্যাসাগর উত্তর দেন -ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসূদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি “মেঘনাদ বধ” কাব্য লিখে আন দেখি?
স্তালিনের পর ক্রেমলিনের ক্ষমতায় এসেছেন ক্রুশ্চেভ। পার্টির এক অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্তালিনের শাসনামলের বর্ণনা দিচ্ছিলেন। তাঁর অত্যাচারের বর্ণনা শুনে একজন চেঁচিয়ে বললেন, ‘তখন আপনি কোথায় ছিলেন? আপনি কেন কোনো কথা বলেননি?’
ক্রুশ্চেভ গর্জে উঠলেন, ‘কে, কে বলল কথাটা? কার এমন বুকের পাটা?’ কোনো উত্তর এল না।
প্রশ্নকর্তা ভিড়ের মধ্যে মাথা গুঁজে ফেললেন।
ক্রুশ্চেভ মুচকি হেসে বললেন, ‘বুঝলে তো কেন আমি সেদিন কথা বলিনি?’
পরমানু মডেলের জনক নীলস বোর এমনিতেই ছিলেন খুব শান্ত শিষ্ট মানুষ । এটা তার ছেলে বেলার ঘটনা।স্কুলে ফাইনাল পরীক্ষা চলছে । তার মা তাকে নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। ছেলেটা পরীক্ষা কেমন দিচ্ছে তা কোন দিনই বলেনা। তাই পরীক্ষা থেকে ফিরে এলে মা প্রতিবারই প্রশ্ন করে “কেমন পরীক্ষা দিয়েছ নীলস বোর”। নীলস বোরের বিরক্তমুখে একই কথা “ভালই”। আর কিছুই সে বলত না। তো একদিন যথারীতি পরীক্ষা শেষে মা জিজ্ঞেস করলেন পরীক্ষার কথা। 
নীলস বোর সাথে সাথে তার পরীক্ষার খাতা বের করে বলল “প্রতিদিনই তুমি একই কথা জিজ্ঞেস করো,তাই আজ খাতা নিয়ে আসলাম, এবার দেখ আমি কেমন পরীক্ষা দেই !
একবার ব্রিটিশ পুলিশ এক চোরকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল যার চেহারার সাথে তখনকার প্রধানমন্ত্রী জন মেজরের চেহারার অনেক মিল ছিল। পুলিশ চোরের ছবি দিয়ে ধরিয়ে দিন বিজ্ঞাপনও ছাপিয়েছিল।
কিন্তু লোকে জন মেজরকেই চোর ভেবে ভুল করতে পারে ভেবে তারা বিজ্ঞাপনের নিচে বড় করে লিখো দিয়েছিলো-“প্রধানমন্ত্রী নন”।
মার্কিন ধনকুবের এন্ড্রু কার্নেগী ছিলেন তাঁর সময়ের সবচেয়ে বড় ধনকুবের । তিনি ছিলেন বস্তির ছেলে ।তাঁর বয়স যখন ১২বছর তখন খেলার জন্য একবার তিনি পাবলিক পার্কে ঢুকতে যাচ্ছিলেন।কিন্তু তাঁর পোশাক এত মলিন ও নোংরা ছিল যে ,সেই পার্কের দারোয়ান তাকে পার্কে প্রবেশ করতে দেয়নি । সেদিন তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, একদিন তার টাকা হবে আর তিনি এই পার্কটি কিনে ফেলবেন । ধনকুবের হওয়ার পর কার্নেগী ঐ পার্কটিই কিনেছিলেন এবং পার্কে নতুন একটি সাইনবোর্ডও লাগিয়েছিলেন । তাতে লেখা ছিল, “ আজ থেকে দিনে বা রাতে যে কোন সময়ে যে কোন মানুষ যে কোন পোশাকে এই পার্কে প্রবেশ করতে পারবে।”
গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল।শোনা গেল স্কুল পরিদর্শন করতে আসছেন তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মূখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হক এবং খাদ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।স্কুলের সভা শেষ করে দুই মন্ত্রী কর্মক্লান্ত হয়ে ডাকবাংলোয় ফিরছিলেন।তাঁদের সঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং স্হানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ।এমন সময় কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের পথ আগলে দাঁড়ালো একটি হ্যাংলা পাতলা গড়নের ছেলে ।তার দাবি,তারা …যে হোস্টেলে থাকে ‌সেখানে ছাদ ফেটে গেছে।ফলে বর্ষার পানি পড়ে বিছানাপত্র নষ্ট হয়।ফাটা ছাদ মেরামত করে দিতে হবে।ছেলেটির সাহস দেখে তো প্রধান শিক্ষক ভড়কে গেলেন।তাঁর স্কুলের ছেলেরা স্বয়ং মূখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বেয়াদবী করছে।না জানি এ অপরাধের কী শাস্তি হবে ।কিন্তু ছেলেটির সহস দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলেন শেরে বাংলা।তিনি এগিয়ে এসে হেসে বললেন, “তার আমি কী করব?”ছেলেটি দৃঢ় স্বরে বলল, “মেরামত করে না দিলে পথ ছাড়ব না”।“বেশ,কত টাকা লাগবে মেরামত করতে?” “১২০০ টাকা”।শেরে বাংলা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর স্বেচ্ছা তহবিল থেকে দাবি মতো ১২০০ টাকা মন্জুর করলেন।ডাক বাংলোতে গিয়ে শেরে বাংলা এবং সোহরাওয়ার্দী ডেকে পাঠালেন কিশোর ছেলেটিকে।আর সাহসিকতার জন্য তাকে বানালেন নিজেদের রাজনৈতিক শিষ্য।আর এভাবেই ঐ কিশোর ছেলেটি হয়ে উঠলো আমাদের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।
এক জনসভায় চার্চিলের বক্তৃতা শুনে বিরোধী রাজনৈতিক দলের এক মহিলা বিরক্ত হয়ে বলে ফেললেন-’যদি আপনি আমার স্বামী হতেন,তাহলে আমি আপনাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলতাম।’
চার্চিল একথা শুনতে পেয়ে তার দিকে ফিরে হেসে বললেন- “ম্যাডাম ! সেক্ষেত্রে আপনি আমার স্ত্রী হলে আমি নিজেই বিষ খেয়ে মরে যেতাম!”
চিত্রশিল্পী হুইসলারের খুবই আদরের একটা পোষা কুকুর ছিল। একবার সে কুকুরের গলায় ঘা দেখা দেয়ায় হুইসলার সে সময়কার নামকরা গলার ডাক্তার ম্যাকেঞ্জিকে ডেকে আনলেন। ম্যাকেঞ্জি কুকুরের চিকিৎসা করতে হবে দেখে মনে মনে রেগে গেলেন। কিন্তু মুখে কিছু বললেন না। যথারীতি কয়েকটা ঔষধ লিখে দিয়ে ম্যাকেঞ্জি বিদায় নিলেন। পরেরদিন ম্যাকেঞ্জি হুইসলারকে তাঁর চেম্বারে ডেকে পাঠালেন। হুইসলার ভাবলেন হয়তো তাঁর কুকুরের ব্যপারে ম্যাকেঞ্জি কথা বলার জন্য ডেকেছেন। হুইসলার ফুরফুরে মেজাজেই ম্যাকেঞ্জির চেম্বারে গেলেন। ম্যাকেঞ্জি হুইসলারের কুশলাদি জিজ্ঞেস করার পর বললেন-’আমার ঘরের সদর দরজার রঙটা একটু চটে গেছে। ওটা একটু রং করতে হবে। আর সেজন্যেই আপনাকে ডেকেছি!’

পোষ্টটি লিখেছেন:  Ador

in fb- Facebook

Read more »

বাসর ঘরে বিড়াল মারার গল্প


কেও জানেন?আসুন সকাল বেলা মজার গল্পটি শুনি!গল্পটি মূলত ইরানি গল্প। একসময় পারস্য থেকে অনেক ব্যবসায়ী এদেশে ব্যবসা করতে এসেছিল। তাঁদের কেউ কেউ এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে গিয়েছিল। ধারণা করা হয় তাঁদের মাধ্যমে গল্পটি এদেশে প্রচলিত হয়েছে। তবে গল্পটি এখন আমাদের হয়ে গেছে। এর মধ্যে আর সেই ইরানি আমেজ নেই। গল্পটি মুখে মুখে প্রচলিত হতে হতে আমাদের অনেক আবহ এর মধ্যে ঢুকে গেছে। অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা আছে বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে । আমাদের দেশীয় আবহে চলুন জেনে আসি এর ইতিহাস
———————————————————————-
16299_503400473036337_1281794499_n
গ্রামের নাম মহব্বতপুর। এই গ্রামে বাস করত দুই যুবক। একজনের নাম আলাল এবং আরেকজনের নাম দুলাল। তারা দু’জন ভালো বন্ধু এবং ভাই ছিল। তাঁদের বন্ধুত্ব এমনি ছিল যে, একজন আরেকজনকে রেখে কিছু করতে পারতো না। আলাল ছিল বোকা কিছিমের আর দুলাল ছিল একটু চালাক কিছিমের। এছাড়াও আলাল মেয়েদের দেখে ভয় পেত। মেয়েদের সামনে গেলে তার হাত-পা কাঁপত। আর দুলালের এই সমস্যা ছিল না।
সে উল্টো সুন্দরী মেয়ে দেখলে আলালকে দেখিয়ে বলত-’দেখ, দেখ কত সুন্দর মেয়ে , চল গিয়ে কথা বলি?’ এটা শুনেই আলালের হাত-পা কাঁপা শুরু করত। একদিন দুলাল বল-’চল বিয়ে করে ফেলি, তাহলে তোর আর মেয়েদের দেখে ভয় লাগবে না।’ আলাল ভাই এর কথায় রাজি হয়ে গেলো। যেই ভাবা সেই কাজ সেই কাজ। তারা বিয়ে করে বউ নিয়ে আসলো। আলাল ছিল বোকা সে বাসর ঘরে বউ এর সাথে কি কি করবে সে বিষয়ে তালিম নিচ্ছিল দুলাল এর কাছ থেকে। দুলাল বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে বাসর ঘরে ঢুকলো। সে তার নতুন বউ এর ঘোমটা খুলতে গেলো আর বউ তাকে ধরাম করে একটি চড় বসিয়ে দিল। তার বউ বলল-’তুমি কেমন পুরুষ, অনুমতি ছাড়া বউ এর ঘোমটায় হাত দিলে যে?’ দুলাল একদম থ-বনে গেল এবং বউ এর কথামত খাটের একপাশে শুয়ে পড়লো।
অন্যদিকে আলাল বেশ ভয়ে ভয়ে বাসর ঘরে ঢুকলো। সে তার বউ এর ঘোমটা খুলতে যাবে এমন সময় ম্যাও বলে আওয়াজ শুনলো। সে দেখলো যে একটা বিড়াল ঘরে ঢুকেছে। সে বিড়ালকে অনেক অপছন্দ করতো। বিড়াল দেখে তার মেজাজ বিগঢ়ে গেল। সে পিড়িতে একটা লাথি দিয়ে বিড়ালের দিকে ছুঁড়ে মারলো। পিড়ির আঘাতে বিড়ালটি সেখানে মরে রইলো। এটা দেখে আলালের বউ বেশ ভয় পেল। সে ভাবলো যে বিড়ালকে এভাবে মারতে পারে সে না জানি মানুষকে কিভাবে মারে? আলালের সেবা করতে লাগলো। পরের দিন প্রত্যেক ভাই তাঁদের রাতের অভিজ্ঞতা শুনতে চাইলো। আলাল তার অভিজ্ঞতার কথা তার ভাইকে বলল। সে এখন আর মেয়েদেরকে ভয় পায়না। তার বউ তার সব কথা শুনে। সব শুনে দুলাল খুব আফসোস করতে লাগলো। সে ভাবলো সেও একটা বিড়াল মারবে। সেদিন দিন রাতে সে একটা বিড়াল ধরে তার বউ এর সামনে মারতে উদ্ধত হল। সেটা দেখে দুলালের বউ একটা দা নিয়ে দাবড়াতে আসলো। তার বউ বল- ‘তোমার কোন মায়া দয়া নেই, অবলা জীবকে মারতে আসছো?’ দুলাল ভাবলো বিড়ালটা দেরি করে মারা হয়ে গেল। বাসর রাতে মারলে তার বউ তার নিয়ন্ত্রনে থাকতো। সে থেকে বউকে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য বাসর ঘরে বিড়াল মারার গল্প প্রচলিত হয়েছে।
587917148

পোষ্টটি লিখেছেন: Tariful

Read more »

Tuesday, March 5, 2013

তাড়াতাড়ি নিয়ে নিন Internet Download Manager 6.15.build 3 | PreActivated


ন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার মানে IDM ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি সফটওয়্যার এর চেয়ে জনপ্রিয়ডাউনলোড ম্যানেজার এই পৃথিবীতে আর একটাও নেই  emot slices 25 ভয়েস রেকর্ড করুন ২ মেগাবাইটের অসাধারন একটি সফটওয়্যার দিয়ে
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানাজার (IDM) সম্বন্ধে নতুন কিছু বলার নাই।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার  হচ্ছে সবচেয়ে দ্রুতগামী ডাউনলোডার
এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে যেকোন ওয়েব সাইট থেকে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, গেম, মুভি সহ আরও প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে পারবেন।
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড যারা করেছেন তারা হয়ত এর গুরুত্ব ভাল বুঝবেন,
ডাউনলোড স্পীড বাড়াতে এর তুলনা হয় না। সবাই কম বেশি জানে। কদিন আগে নতুন IDM বের হয়েছে । কিছু ক্রিটিক্যাল বাগ ঠিক করা হয়েছে। যেমনঃ

নতুন এই ভার্সন 6.15 Build 3 -এ কী আছে?

(Released: Feb 21, 2013)
  • Added support for Firefox 21
  • Fixed a critical bug with processing some types of redirects
  • Resolved problems when displaying “Download progress” dialog tabs with large windows fonts
  • Fixed a bug with the download progress bar showing download threads when resuming zip filesঅনেক বলছি  emot slices 49 দারুন ২টি অডিও এডিটর মিউজিক সফটওয়্যার ,সংগ্রহে রাখুন জলদি টাইম কম :P  এখন ডাউনলোড করুন
    ifacuh 2 ডাউনলোড করুন ইসলামিক শিক্ষামুলক হাঁসির গল্পের বই মুসলমানের হাঁসি :)

    Click Here For Download Now


    • 18561 দারুন ২টি অডিও এডিটর মিউজিক সফটওয়্যার ,সংগ্রহে রাখুন জলদি টাইম কম :P
      ডাউনলোড করার পর আগের ভার্শন টাটা জানিয়ে বিদায় দিন
      তারপর ইন্সটল করুন
      মনে রাখবেন কোন সিরিয়াল কি প্যাচ লাগবে না
      এটা সাইলেন্ট ইন্সটল
      তারপ
      প্রোগ্রাম রান করুন
      ইনজয় ইট ভালো থাকবেন আবার দেখা হবে 8-|
      আবার দেখা হবে অন্য কোন টিপস নিয়ে  emot slices 49 দারুন ২টি অডিও এডিটর মিউজিক সফটওয়্যার ,সংগ্রহে রাখুন জলদি টাইম কম :P
Read more »

visite